মনোজ দাস, কলকাতাঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
উপলক্ষ্যে কলকাতার অনন্যাতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। এই
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মানবাধিকারের ভারপ্রাপ্ত
আধিকারিকরা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতাঃগতিময় জীবনের বাঁধাকে অতিক্রম করতে যে বা যারা সমাজ জীবনে বিশেষভাবে দাগ রেখেছেন বা খ্যাতি লাভ করেছেন তাঁদের অধ্যাবসায় এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে। সেই সব মানুষদের আলাদা করে বরণ করে বাংলা ও বাঙ্গালীর সকল স্তরের বরণীয় ব্যাক্তিদের নিয়েই গীতাঞ্জলি আয়োজিত "বেঙ্গল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড ২০২০" নেহেরু চিলড্রেনস মিউজিয়ামে হয়ে গেলো। এদিনের সন্ধ্যায় এই পুরষ্কার পেলেন সমাজে বিভিন্ন পেশায় সফল ব্যাক্তিরা। প্রথমেই মুম্বাই থেকে ভার্চ্যুয়ালের মাধ্যমে পুরষ্কৃত হলেন শ্রীনন্দী (সৃজনশীল নৃত্যশিল্পী)। এরপর ডাক্তার অরুণাভ লালা ( অস্থি রোগ বিশেষজ্ঞ), সুধীর দত্ত( সংগীত পরিচালক), সাবির আহমেদ ( সমাজসেবী), কাশীনাথ দাস ও লক্ষী দাস ( সমাজসেবী) মৃগাঙ্ক ব্যানার্জী (শিশু সাহিত্যিক), সোহিনী হুসেন (উদ্যোগপতি ও সমাজসেবী), অনুপ বর্ধন ( সাংবাদিক), আলথিয়া ফিলিপস ( সাংবাদিক), সুবীর কুমার ঠাকুর ( অর্থনীতিবিদ), পরী (সমাজসেবা সংগঠন), জয়দেব সিকদার ( সমাজকর্মী), বিশ্বজিৎ মন্ডল ( সমাজসেবক), সমু মিত্র( চলচ্চিত্র সংগঠক), শিবনাথ দে সরকার এবং...
"সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সপ্তাহ" কর্মসূচি পালন করল ঐক্য বাংলা নিজস্ব সংবাদদাতা , কলকাতা: কলকাতায় ধর্মীয় বিভাজন মূলক স্লোগান "গোলি মারো"ওঠে । সেই দিনটিকে কালো দিন হিসেবে চলতি বছরে ১লা মার্চ থেকে ৮ই মার্চ পর্যন্ত ' সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সপ্তাহ ' পালন করল ' ঐক্য বাংলা ' । সারা সপ্তাহ জুড়ে বাঙালি জাতির মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা প্রচার করলেন বাংলার প্রথম মুক্ত পন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন ঐক্য বাংলা।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের পথে-ঘাটে-রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জনগণের সাথে এই বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন । এমনকি বাংলার অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যের কথা , লালন ফকির , কবি নজরুল-রবীন্দ্রনাথের বলে যাওয়া সম্প্রীতির কথা বলেন তাঁরা।এই কর্মসূচির শুভ সমাপ্তি অনুষ্ঠান উদযাপিত হয় কলকাতার রাণু ছায়া মঞ্চে। এই আলোচনার অনুষ্ঠানে ঐক্য বাংলার সদস্যরা এবং সাধারণ বাঙালী জনতারাও উপস্থিত ছিলেন । ' ঐক্য বাংলা ' সংগঠনের সাধারণ সম্পাদিকা শ্রীমতি সুলগ্না দাশগুপ্ত মনে করিয়ে দেন বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যের কথা । তাঁর কথায় ,...
নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতা :দীর্ঘ করোনাকাল শেষে বিশিষ্টজনেদের বর্ণময় উপস্হিতি,বক্তৃতামালা,একক- সম্মেলক গান,একক- সমেবত আবৃত্তি,নৃত্যালেখ্য মঞ্চনাটক পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে ৮ দিন ব্যাপী সাড়ম্বরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মোৎসব পালন করল রবীন্দ্র ভারতী সমিতি।উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রথীন্দ্র মঞ্চে কবিগুরুর প্রতিকৃতির সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রবীন্দ্র ভারতী সমিতির সভাপতি বিচারপতি চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শিবাজী প্রতিম বসু,চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী ছিলেন উদ্বোধনী পর্বে।প্রসঙ্গত,অর্থ উন্মুক্ত শিক্ষায় বিশ্বাসী মহান শিক্ষক কবিগুরুর মৃত্যুর পর গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শ প্রচারের জন্য, আনন্দবাজার পত্রিকার তৎকালীন সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র মজুমদারের নেতৃত্বে একদল বুদ্ধিজীবী একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগী হয়ে এগিয়ে আসেন। সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রায় পনের লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে ১৯৪৫ সালের ১৫ জানুয়ারী জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্র ভারতী সমিতি গঠন কর...
Comments
Post a Comment