মনোজ দাস, কলকাতাঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
উপলক্ষ্যে কলকাতার অনন্যাতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। এই
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মানবাধিকারের ভারপ্রাপ্ত
আধিকারিকরা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
সায়ন দেবনাথ , কলকাতা: বাংলার প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম দিবস ও প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ন্যাশনাল ডক্টরস ডে। আমাদের রাজ্যেও সর্বত্র পালিত হচ্ছে চিকিৎসক দিবস দিনটি। বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমরা ব্যতিক্রমী'র উদ্যোগে এদিন বেলেঘাটা সি আই টি রোডে বি সি রায় পোলিও হাসপাতাল এবং ফুলবাগানের বি সি রায় শিশু হাসপাতালের চিকিৎসারত শিশুদের মধ্যে উপহার তুলে দেওয়া হল সংস্থার পক্ষ থেকে। প্রথমে ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান সংস্থার সদস্য এবং সদস্যারা। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোপাল দেবনাথ, সভাপতি প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, প্রধান উপদেষ্টা অশোক মজুমদার, মিহির বালা, ইন্দ্রানী বালা, স্বপন ভট্টাচার্য্য এবং আল্পনা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা ব্যতিক্রমী সংস্থা এই বছর ১৫ তম বর্ষে পদার্পন করলো। এদিনের অনুষ্ঠানে ১০০ জন শিশু এবং তাদের অভিভাবকগন সকলেই এই উদ্যোগের প্রসংশা করেন। এই কাজে দুই হাসপাতালের কতৃপক্ষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ডাঃ বি সি রায় শিশু হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডাঃ দিলীপ পাল এই মহ...
ঈশানী মল্লিক, মদনপুর : গত কয়েক দিন আগেই মনসা মায়ের পুজো সম্পন্ন হল। আবারও আগামী বিশ্বকর্মা পুজোর সময় মা মনসার পুজো আসছে। এছাড়া সারা বছরই এই দেবীর পুজো করা হয়। পুজোর আগে এই পুজোর মাহাত্ম্য রইল। মনসা দেবী হলেন লোকবিশ্বাসের এক প্রাচীন দেবী, যিনি সাপের দেবী হিসেবে পরিচিত। বাংলার লোককথা, মঙ্গলকাব্য ও গ্রামীণ আচার-অনুষ্ঠানে মনসা দেবী বিশেষভাবে পূজিত হন। দেবী মনসাকে সাধারণত সাপের আভাসে বা মাথায় ফণাযুক্ত সাপসহ চিত্রিত করা হয়। তাঁর পূজা মূলত সাপের দংশন থেকে রক্ষা, পরিবার ও সন্তানের মঙ্গল, কৃষিক্ষেত্রে সমৃদ্ধি এবং বংশবৃদ্ধির আশীর্বাদ লাভের উদ্দেশ্যে করা হয়। মনসা পূজার ইতিহাস প্রাচীন শিকড়: মনসা দেবীর পূজা আর্য-অনার্য যুগের মিলিত প্রভাবে গড়ে উঠেছে। গ্রামীণ সমাজে যেখানে সাপের উপদ্রব ছিল প্রবল, সেখানে সাপদেবীকে রুষ্ট না করতে বা সাপের ভয় থেকে রক্ষা পেতে এই পূজা শুরু হয়। মঙ্গলকাব্যে মনসা: মনসামঙ্গল কাব্য (বিপ্রদাস, বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব প্রমুখ কবিদের রচনা) মনসা দেবীর কাহিনীকে জনপ্রিয় করে তোলে। কাহিনীতে বলা আছে, বেহুলা-লখিন্দর ও চাঁদ সদাগরের কাহিনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চাঁদ সদাগ...
নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতাঃগতিময় জীবনের বাঁধাকে অতিক্রম করতে যে বা যারা সমাজ জীবনে বিশেষভাবে দাগ রেখেছেন বা খ্যাতি লাভ করেছেন তাঁদের অধ্যাবসায় এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে। সেই সব মানুষদের আলাদা করে বরণ করে বাংলা ও বাঙ্গালীর সকল স্তরের বরণীয় ব্যাক্তিদের নিয়েই গীতাঞ্জলি আয়োজিত "বেঙ্গল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড ২০২০" নেহেরু চিলড্রেনস মিউজিয়ামে হয়ে গেলো। এদিনের সন্ধ্যায় এই পুরষ্কার পেলেন সমাজে বিভিন্ন পেশায় সফল ব্যাক্তিরা। প্রথমেই মুম্বাই থেকে ভার্চ্যুয়ালের মাধ্যমে পুরষ্কৃত হলেন শ্রীনন্দী (সৃজনশীল নৃত্যশিল্পী)। এরপর ডাক্তার অরুণাভ লালা ( অস্থি রোগ বিশেষজ্ঞ), সুধীর দত্ত( সংগীত পরিচালক), সাবির আহমেদ ( সমাজসেবী), কাশীনাথ দাস ও লক্ষী দাস ( সমাজসেবী) মৃগাঙ্ক ব্যানার্জী (শিশু সাহিত্যিক), সোহিনী হুসেন (উদ্যোগপতি ও সমাজসেবী), অনুপ বর্ধন ( সাংবাদিক), আলথিয়া ফিলিপস ( সাংবাদিক), সুবীর কুমার ঠাকুর ( অর্থনীতিবিদ), পরী (সমাজসেবা সংগঠন), জয়দেব সিকদার ( সমাজকর্মী), বিশ্বজিৎ মন্ডল ( সমাজসেবক), সমু মিত্র( চলচ্চিত্র সংগঠক), শিবনাথ দে সরকার এবং...
Comments
Post a Comment